এক নজরে এলইডি বাতি, এনার্জি লাইট ও সাধারণ ইলেকট্রিক্যাল বাতি

0
1690
এলইডি, এনার্জি বাল্ব ও সাধারণ বাল্বেল্র তুলনা মূলক টেবিল
এলইডি, এনার্জি বাল্ব ও সাধারণ বাল্বেল্র তুলনা মূলক টেবিল
এলইডি বাতি বা ল্যাম্প কম বিদ্যুৎ খরচ করে তা আমরা এতদিনে জেনে গেছি। কিন্তু এই এলইডি লাইট কতটুকু কম বিদ্যুৎ খরচ করে তা কি আমরা জানি? এই লেখাতে এলইডি বাতির বিদ্যুৎ খরচের হিসাবকে খুব সহজ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
নিচের চিত্রটি দেখুন-
এলইডি, এনার্জি বাল্ব ও সাধারণ বাল্বেল্র তুলনা মূলক টেবিল
এলইডি, এনার্জি বাল্ব ও সাধারণ বাল্বেল্র তুলনা মূলক টেবিল

দেখেই বুঝতে পারছেন নিশ্চই। তবু একটু সহজ করে দিচ্ছি।

১ ওয়াট এলইডি বাতির উজ্জ্বলতা = ৩ ওয়াট এনার্জি লাইটের উজ্জ্বলতা = ১৫ ওয়াট সাধারণ বাল্বের উজ্জ্বলতা।

অর্থাৎ একই আলো প্রদান করতে এলইডি বাতি সবচেয়ে কম বিদ্যুত টানে যেখানে এনার্জি বাল্ব প্রায় ৩ গুণ ও সাধারণ বাল্ব প্রায় ১৫ গুণ বিদ্যুৎ / পাওয়ার নষ্ট করে

এই অতিরিক্ত পাওয়ার কই যায়? এই অতিরিক্ত পাওয়ার বেশিরভাগই তাপ হিসাবে নির্গত হয়।

কেউ কেউ হয়ত বলবেন এলইডি ও তো কম গরম হয় না! হ্যা শক্তিশালী এলইডি যেমন ৯ ওয়াটের এলইডি গুলোতে বড় হিটসিংক লাগাতে হয়।

কিন্তু উপরের চার্টটি খেয়াল করলে দেখবেন ৯ ওয়াটের এলইডি বাতির সমান আলো পেতে ৯০ ওয়াটের সাধারণ বাতি লাগাতে হয়। আর আমরা খুব ভালোই জানি ১০০ ওয়াটের সাধারণ বাল্ব কি পরিমান গরম হয়ে থাকে। আশাকরি বুঝাতে পেরেছি।

কথা প্রসঙ্গে বলি, জানেন নিশ্চয়ই এলইডি প্রকৃতপক্ষে আলোক নিঃসারী ডায়োড বৈ কিছুই নয়। আর কম পাওয়ার/বিদ্যুৎ খরচ করে বিধায় একই প্রযুক্তির এলইডি টিভি আকারে বিশাল বড় হলেও খুব অল্পই পাওয়ার টানে।

চার্জার লাইট তৈরি করতেও এখন এলইডি'র জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে। মিনি আই পি এস -এও বহুল ব্যবহৃত হয় এই এলইডি বাতি। ফলে ছোট ব্যাটারি দিয়েই অনেকক্ষণ আলো পাওয়া যায়। আর তরুণ হবিস্ট ও ইঞ্জিনিয়ারদের কাছেও তাই বহুল ভাবে জনপ্রিয় হয়েছে নিজের হাতে এলইডি দিয়ে লাইট তৈরি।

বিশেষ কৃতজ্ঞতাঃ Shohrab Hossain Sourov

শেয়ার
পূর্ববর্তী নিবন্ধলাই ডিটেক্টরঃ মিথ্যা বললেই ধরবে যে যন্ত্র
পরবর্তী নিবন্ধকিভাবে বানায় মুভিং মেসেজ ডিসপ্লে?
facebook-profile-picture
ব্যবহারিক ইলেকট্রনিক্স, এনালগ ইলেকট্রনিক্স, নেটওয়ার্কিং, ফটোগ্রাফি, গবেষণা ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করি। মূলত ডেভলপমেন্ট রিলেটেড কাজই বেশী করা হয়। লেখালিখির একটা ঝোঁক আছে তবে অনেক সময় নিয়ে লিখতে হয়। লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি থেকে গ্র্যাজুয়েট করবার পর ব্যক্তিগত জীবনে সফটওয়্যার ও আইটি সংক্রান্ত পেশায় ছিলাম বহু বছর। ইলেকট্রনিক্স ও ফটোগ্রাফি আমার আজন্ম একটি হবি ও সাধনা। তবে এখন খুব কম এসব নিয়ে ব্যবহারিক কাজ করা হয়। বেশীরভাগ সময় এখন আমাদের ইলেকট্রনিক্সের পেছনেই ব্যয় হয়।

কমেন্ট করুন-