ফ্রি এনার্জি জেনারেটর ও পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন কি সম্ভব? বিজ্ঞান ভিত্তিক ব্যাখ্যা

2
160
ফ্রি এনার্জি জেনারেটর ও পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন কি সম্ভব? বিজ্ঞান ভিত্তিক ব্যাখ্যা
ফ্রি এনার্জি জেনারেটর ও পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন কি সম্ভব? বিজ্ঞান ভিত্তিক ব্যাখ্যা

আজকাল ইউটিউবে “energy related science project” লিখে সার্চ দিলেই তার সিংহভাগ জুড়ে থাকে ফ্রি এনার্জি জেনারেটর কীভাবে বানানো যায় তার ভিডিও। ফেসবুকে ইলেকট্রনিক্স কমিউনিটিগুলোতেও নতুন হবিস্টদের একই প্রশ্ন, “ভাই ফ্রি এনার্জি সম্ভব?” “ভাই এই ভিডিও কাজ করে? ”। কিন্তু সত্যি কী ফ্রি এনার্জি তৈরি করা এতই সহজ? তা নিয়েই আজকে আমরা জানবো।

বিজ্ঞানের কিছু প্রাথমিক বিষয়

ফ্রি এনার্জি আসলেই সম্ভব কিনা তা জানার জন্য আমাদের প্রথমে বিজ্ঞানের কিছু প্রাথমিক বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে। প্রথমেই আসি পার্পেচুয়াল মোশন (Perpetual Motion) মেশিনে

পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন কী? তার আগে পার্পেচুয়াল মোশন কথাটির অর্থ জেনে নেই। এটা ফিজিক্সের একটা টার্ম, যেটা এমন কোনো ধরণের গতিকে বোঝায় যা কোনো রকমের শক্তি সরবরাহ ছাড়াই অনন্তকাল অব্যাহত থাকবে।

একটু সহজ ভাবে পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন

সোজা বাংলায় বলতে গেলে, ধরুন, মোহাম্মদপুরের রাস্তায় (সমতল রাস্তা, ঢালু না) একটা রিকশা (চালকবিহীন) দাঁড়িয়ে আছে। সাধারণ প্যাডেলচালিত রিকশা। সেটা কথা নেই বার্তা নেই, নিজে থেকেই চলা শুরু করলো, বাইরের কারো ঠেলাধাক্কা ছাড়াই। এবং চলতেই থাকলো, মোহাম্মদপুর, মতিঝিল, চাঁদনি চক টু চায়না সবজায়গায় ভ্রমণ করে আসলো, তারপর আবারও মোহাম্মদপুরে ফিরে আসলো।

তারপর আবারো মতিঝিল…চাঁদনি চক…চায়না…অনন্তকাল চলতেই থাকলো, বাইরে থেকে কোনো ভাইব্রাদারের সাপোর্ট (শক্তি সরবরাহ) ছাড়াই রিকশাটা সারাজীবনের জন্য চলা শুরু করলো।

তারমানে রিকশাটা এখানে পার্পেচুয়াল মোশনে গতিশীল। কারণ সে –

  • শক্তি সরবরাহ ছাড়াই চলছে।
  • অনন্ত কালের জন্য।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন। পার্পেচুয়াল মোশন বুঝে গেলে পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন বোঝা আরো সহজ।

যে মেশিন পার্পেচুয়াল মোশনে চলে তাকেই পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন বলে।

আসলে, এটা একটু ফাঁকিবাজি টাইপের সংজ্ঞা হয়ে যায়। চলুন একটু কঠিন ভাষায় শিখি।

এটা এমন একধরণের যন্ত্র, যেটা কোনোরকমের শক্তি সরবরাহ ছাড়াই অনন্তকাল “কাজ” করে যেতে পারবে। ধরুন, একটা পার্পেচুয়াল মোশন মেশিনে একটা ফ্যান লাগানো, আর এখানে সেই ফ্যানটাকে ঘোরানোই যন্ত্রটার “কাজ”।

পার্পেচুয়াল মোশনের নীতি অনুসারে মেশিনটাকে কোনোরকমের শক্তি না দিলেও সেই ফ্যান অনন্তকালের জন্য ঘুরতে থাকবে (আমার সিলিং ফ্যানটা যদি পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন হতো!)

ফ্রি এনার্জি আর পার্পেচুয়াল মোশন মেশিনের কিছু উদাহরণ
ফ্রি এনার্জি আর পার্পেচুয়াল মোশন মেশিনের কিছু উদাহরণ

ফ্রি এনার্জি ও পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন

কনসেপ্টটা চেনা চেনা লাগছে? ইউটিউবের বেশিরভাগ ফ্রি এনার্জি জেনারেটর বেসিক্যালি এই পার্পেচুয়াল মোশন মেশিনেরই বিভিন্ন রুপ। তবে কিছু কিছু ফ্রি এনার্জি জেনারেটরের ডিজাইনে শুরুর দিকে শক্তি সরবরাহ করতে হয়, পরে জেনারেটরটি নিজেই নিজের চলার শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। যেমন, মটোর দিয়ে বানানো পার্পেচুয়াল মোশন মেশিনের কন্সেপ্টটা বেশ জনপ্রিয়। কন্সেপ্টটা হচ্ছে এরকম যে, আপনি দুটো ডিসি মটোরকে পরস্পরের সাথে প্যারালালে (Parallel, সমান্তরালে) সংযোগ দিবেন এবং দুটোর শ্যাফটকে গিয়ার/পুলি দিয়ে এমনভাবে সংযুক্ত করবেন যেন একটা শ্যাফট ঘোরালে আরেকটাও ঘোরে। আমরা জানি, মটোরের শ্যাফট ঘুরালে মটোর বিদ্যুৎশক্তি উৎপন্ন করে, যেটা মটোরের টার্মিনালে পাওয়া যায়। আপনি যদি ওই দুটো মটোরের একটায় কয়েক মুহূর্তের জন্য শক্তি সরবরাহ করেন, তাহলে সেই মটোরের শ্যাফটের সাথে অন্য মটোরের শ্যাফটটাও ঘুরবে এবং অন্য মটোরটার টার্মিনালে যে বিদ্যুতশক্তি আসবে সেটা অন্য মটোরে চলে যাবে (যেহেতু দুটোই প্যারালালে সংযুক্ত)।

একটি সাধারণ পারপেচুয়াল ফ্রি এনার্জি জেনারেটর মেশিনের কাজ করবার পদ্ধতি
একটি সাধারণ পারপেচুয়াল ফ্রি এনার্জি জেনারেটর মেশিনের কাজ করবার পদ্ধতি

এখন, আপনি যদি প্রথম মটোরটায় যে শক্তি সরবরাহ করছিলেন সেটা যদি বন্ধ করে দেন, তাহলে অন্য মটোরটায় উৎপন্ন শক্তি দিয়েই প্রথমটার চলার কথা, এবং প্রথমটা চললে যেহেতু অন্যটারও শ্যাফট ঘুরবে, এভাবে অনন্তকালই তো বাইরের কোনো শক্তি ছাড়া চলার কথা, তাই না? ওই দুটো মটোরের সাথে তৃতীয় আরেকটি মটোর লাগিয়ে দিলেই কাজ শেষ, সেই মটোরই আপনার ফ্রি এনার্জি উৎপন্ন করে ট্রেতে করে পরিবেশন করবে।

না, সাধারণভাবে ভাবতে গেলে এরকমই মনে হবে, কিন্তু বাস্তবে এই পদ্ধতি কখনই কাজ করবেনা।

কেন কাজ করবেনা?

সেজন্য আমাদের শিখতে হবে একটুখানি থারমোডাইনামিক্স (thermodynamics)।

থারমোডাইনামিক্স পদার্থবিজ্ঞানের একটা শাখা। তাপ এবং অন্যান্য শক্তির (মেকানিক্যাল/গতি, ইলেকট্রিকাল/বৈদ্যুতিক অথবা কেমিক্যাল/রাসায়নিক) মধ্যে যে সম্পর্ক, এবং অন্যান্য সব ধরণের শক্তির মাঝে যে সম্পর্ক, তা নিয়েই আলোচনা করা হয় এই শাখায়।

থারমোডাইনামিক্স অনেক বড় একটা বিষয়, কিন্তু এটার মূল ভিত্তি হচ্ছে ৪টা সূত্র, যার মধ্যে প্রাসঙ্গিক দুটো সূত্র বলছি।

প্রথম সূত্রটি হচ্ছে –

“শক্তি সৃষ্টিও করা যায় না, ধ্বংসও করা যায় না। শক্তির শুধুমাত্র রূপান্তর ঘটানো সম্ভব।”

এটিকে শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্রও বলা হয়।

আমাদের চারপাশের সবধরণের যন্ত্রই কিন্তু এই প্রথম সূত্রটি অনুসরণ করে। ফ্যান, লাইট এগুলোতে যে বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ করা হয়, সেগুলো ধ্বংস হয়না, বরং, গতি ও আলোকশক্তিতে রুপান্তরিত হয়। আবার, জেনারেটর ও সোলার প্যানেলেও শক্তি সৃষ্টি করা হয় না, জ্বালানীর ভেতরে থাকা রাসায়নিক শক্তি এবং সূর্যের আলো থেকে পাওয়া আলোকশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় মাত্র।

ব্যাটারির রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিবর্তিত হচ্ছে
ব্যাটারির রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিবর্তিত হচ্ছে

ভালো কথা, একটা মজার তথ্য দেই। মহাবিশ্ব সৃষ্টি হওয়ার পর যে সৌরজগৎ, পৃথিবী এতকিছু সৃষ্টি হলো, মানুষ সভ্যতা সৃষ্টি করলো, এরপরও কিন্তু এই সূত্রানুসারে মহাবিশ্বে শুরুতে যে শক্তি ছিল তা বিন্দুমাত্র কমেওনি, বাড়েওনি, এক রুপ থেকে অন্য রুপে পরিবর্তিত হয়েছে খালি।

দ্বিতীয় সূত্রটি সম্পর্কে চারজন বিজ্ঞানীর ভিন্ন ভিন্ন মতবাদ প্রচলিত থাকলেও প্রথম উদ্ভাবক বিজ্ঞানী কেভিন কার্নোর (Kevin Kerno) সূত্রটি এখানে উল্লেখ করছি –

“একটি যন্ত্র কখনও সরবরাহকৃত তাপ শক্তিকে সম্পূর্ণরুপে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করতে সক্ষম হবে না।”

এই সূত্রটা ব্যাখ্যা করার জন্য সবচেয়ে ভাল উদাহরণ হচ্ছে জেনারেটর (বাসা/অফিসে যেটা ব্যবহার করা হয়)। আমরা জানি, জেনারেটরে ডিজেল/অকটেন ভরতে হয়, তারপর সেটা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

কিন্তু, আপনি যেই পরিমাণ তেল জেনারেটরে দিবেন, জেনারেটর থেকে সেই পরিমাণ বিদ্যুৎ কখনই পাবেন না, তারচেয়ে একটু কম পাবেন। সরবরাহকৃত শক্তি এবং প্রাপ্ত কার্যকর শক্তির এই পার্থক্যকে বলা হয় এফিশিয়েন্সি (Efficiency)।

কেন এমন হয়?

জেনারেটরের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার জন্য যে মেকানিজম থাকে, সেটার মধ্যে কিছু অংশ আছে চলন্ত, এগুলো পূর্ণ গতিতে চলতে পারেনা, ঘর্ষণের কারণে এগুলোর গতি একটু বাধাপ্রাপ্ত হয়। এই ঘর্ষণ কমানোর জন্য রক্ষণাবেক্ষণের অংশ হিসেবে ওই জায়গাগুলোতে নিয়মিত তেল/লুব্রিক্যান্ট দেয়া হয়, তারপরও ঘর্ষণ সম্পূর্ণভাবে থামানো যায় না। এবং এই ঘর্ষণের কারণে যে তাপ উৎপন্ন হয় (আপনি যদি এক হাত আরেক হাতের সাথে ঘষেন, তাহলে দেখবেন গরম হয়ে যাচ্ছে), সেটাও কিন্তু একধরণের শক্তি,। জেনারেটরের ভেতরের চলন্ত অংশগুলো যে শব্দ উৎপন্ন করে, এবং যে তাপ নির্গমন করে, এগুলোও শক্তি।

তাই, আপনি যে জ্বালানী দিচ্ছেন, সেটার কিছু অংশ এভাবে অন্যান্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে অপচয় হয়ে যাচ্ছে, যেজন্য আপনি প্রদত্ত জ্বালানীশক্তির সমপরিমাণ বিদ্যুৎশক্তি পাচ্ছেন না। সব যন্ত্রতেই কিছু না কিছু অপচয় হয়ে থাকে এভাবে, যাকে সিস্টেম লস বলা হয়। সেটাই দ্বিতীয় সূত্রতে বলা হয়েছে।

কিন্তু পার্পেচুয়াল মোশন মেশিনের কাজ না করার সাথে এই সূত্রগুলোর সম্পর্ক কী?

থারমোডাইনামিক্সের প্রথম সূত্রটা ছিল যে, শক্তির সৃষ্টি অথবা ধ্বংস নেই, শক্তির শুধুমাত্র রূপান্তর ঘটে।

আর পার্পেচুয়াল মেশিনের কাজ করার ধরণ হচ্ছে, এটা কাজ করা শুরুই করবে কোনো শক্তি ছাড়া, এবং যেহেতু এটি কাজ করছে, তারমানে এটি শক্তি উৎপন্নও করছে, যেহেতু কোনো কাজ করতেও শক্তির প্রয়োজন হয়। তাহলে, পার্পেচুয়াল মেশিন প্রথম সূত্রের দুটি শর্তই (শক্তির সৃষ্টি ও ধ্বংস নেই) ভাঙছে।

এবার দ্বিতীয় সূত্রটায় আসি।

দ্বিতীয় সূত্রটা ছিল, একটা যন্ত্র কখনই সরবরাহকৃত তাপশক্তির সম্পূর্ণটা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারবে না। অর্থাৎ, একটা যন্ত্রতে প্রদত্ত শক্তির পরিমাণের চেয়ে যন্ত্রটি থেকে প্রাপ্ত কার্যকর শক্তির পরিমাণ কম হবে। বাকি শক্তি সিস্টেম লসের কারণে অন্যান্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যাবে।

পার্পেচুয়াল মোশনে চলা রিকশাটার কথা মনে আছে? ওটার এখনও বিশ্বভ্রমণ করতে থাকার কথা, তাই না?

কিন্তু ওটাও তো একটা যন্ত্র। রিকশার চাকা আছে, সেই চাকার সাথে রাস্তার ঘর্ষণে শক্তি তাপে রূপান্তরিত হয়, রিকশার চেইনের সাথে গিয়ারের ঘর্ষণে শক্তি তাপে উৎপন্ন হয়, এরকম অনেকধরণের লসই থাকার কথা। তাহলে রিকশাটা কীভাবে তার উৎপন্ন শক্তি না হারিয়ে অনন্তকাল চলবে? যত সময়ই লাগুক, এক সময় শক্তির অপচয়ের ফলে রিকশাটার শক্তি শেষ হয়ে যাবে, তাই না? তাই পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন থারমোডাইনামিক্সের দ্বিতীয় সূত্রটিও মানে না।

পদার্থবিজ্ঞান অনুযায়ী এজন্য পার্পেচুয়াল মোশন মেশিন এবং ফ্রি এনার্জি জেনারেটর, কোনোটাই বানানো সম্ভব না। ইউটিউবে ফ্রি এনার্জির অস্তিত্ব নিয়ে যে ভিডিওগুলো আছে, তার কোনোটাই আসল না। সবগুলোতেই কোনো না কোনোভাবে কারচুপি করা হয়েছে। তবে আপনি যেহেতু এখন আসল ঘটনাটা জানেন, আশা করি এরপরে কাউকে ফ্রি এনার্জিতে বিশ্বাস করতে দেখলে নিজেই তাকে পুরোটা বুঝিয়ে বলতে পারবেন!

তাই বলে কী ফ্রি এনার্জি নেই?

অবশ্যই আছে। আমাদের চারপাশেই ফ্রি এনার্জির ছড়াছড়ি, আমরা সেগুলোর ব্যবহার নিশ্চিত না করেই ফ্রি এনার্জি জেনারেটর বানাতে চাই। গ্রীষ্মকালে যে রোদের জন্য ঘেমে-নেয়ে যান, সেই রোদই হতে পারে আপনার ফ্রি এনার্জির উৎস। এককালীন কিছু খরচ করে বাসার ছাদে কয়েকটা সোলার প্যানেল লাগিয়ে ফেলুন, পুরো বাসার বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে না পারলেও অন্তত ছোটখাটো কিছু যন্ত্রের বিদ্যুতের খরচের জন্য আগামী ১৫-২০ বছর চিন্তা করতে হবে না, এমনকী লোডশেডিং এরও না। যদিও সোলার প্যানেলেরও ভাল দিকের পাশাপাশি খারাপ দিকও রয়েছে।

এমনকী বাসায় বিদ্যুতের যে লাইন আছে, সেটাকেও একটু কায়দা করে সম্পূর্ণ না হলেও পরোক্ষভাবে খানিকটা ফ্রি এনার্জির উৎস হিসেবে ব্যবহার করা যায় 😉 । বাসায় অপ্রয়োজনীয় লাইট/ফ্যান/টিভি বন্ধ করে রেখে যে বিদ্যুৎটা বাঁচাবেন, সেটা অন্য যন্ত্র চালাতে খরচ করলে আপনার মোট খরচ কিন্তু একই থাকবে। ফ্রি হলো না? শুভকামনা রইলো। 🙂

2 মন্তব্য

  1. ভালো লিখেছেন। এমন একটা পোষ্টের অনেক দরকার ছিলো। অনেক অনেক ধন্যবাদ 🙂

কমেন্ট করুন-