ইলেকট্রনিক্স টুল

ভোল্টেজ ডিভাইডার ক্যালকুলেটর

Vin, R1, R2 দিন — Vout পান। অথবা লক্ষ্যমাত্রা Vout থেকে R2 বের করুন

VOLTAGE DIVIDER · Vout = Vin × R2 / (R1 + R2)
Vin + R1 Vout R2 Vin=— R1=— R2=— —V
Vin — ইনপুট ভোল্টেজসাপ্লাই ভোল্টেজ
ইনপুট
R1 — উপরের রেজিস্টরVin থেকে Vout নোড পর্যন্ত
ইনপুট
R2 — নিচের রেজিস্টরVout নোড থেকে GND পর্যন্ত
ইনপুট
⚠ মান পরীক্ষা করুন। Vout অবশ্যই Vin-এর চেয়ে কম হতে হবে, এবং সব মান শূন্যের চেয়ে বেশি।
// ফলাফল
// আউটপুট ভোল্টেজ (Vout)
কারেন্ট (I)
পাওয়ার (P)
// ভোল্টেজ বিভাজন অনুপাত
Vout
ভোল্টেজ ড্রপ R1
Vout = — R1 ড্রপ = —

মূল সূত্র — R1 ও R2 দিয়ে ভোল্টেজ ভাগ হয়:

Vout = Vin × R2 / (R1 + R2)

R2 বের করতে (Vout জানা থাকলে):

R2 = R1 × Vout / (Vin − Vout)

R1 বের করতে (Vout জানা থাকলে):

R1 = R2 × (Vin − Vout) / Vout

সার্কিটে প্রবাহিত কারেন্ট ও মোট পাওয়ার:

I = Vin / (R1 + R2)   P = Vin × I

ADC রেফারেন্স ভোল্টেজ: ৫V সোর্স থেকে ৩.৩V পেতে ডিভাইডার ব্যবহার করা হয় — মাইক্রোকন্ট্রোলারের ইনপুট প্রোটেকশনে কাজে আসে।

সেন্সর বায়াসিং: NTC থার্মিস্টর বা LDR-এর সাথে ডিভাইডার তৈরি করলে রেজিস্ট্যান্স পরিবর্তন ভোল্টেজে পরিণত হয়।

ব্যাটারি মনিটরিং: ১২V ব্যাটারি ভোল্টেজ ADC-এর রেঞ্জে নামিয়ে আনতে ডিভাইডার ব্যবহার করা হয়।

লোড ইফেক্ট সমস্যা: Vout-এ লোড যুক্ত হলে কার্যকর R2 কমে যায়, ফলে Vout কমে যায়। এটাই ভোল্টেজ ডিভাইডারের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।

নিয়ম: লোড রেজিস্ট্যান্স R2-এর কমপক্ষে ১০ গুণ হওয়া উচিত। অন্যথায় আউটপুট ভোল্টেজ অস্থিতিশীল হবে।

সমাধান: লোড-ড্রাইভিং দরকার হলে ডিভাইডারের পরে অপ-অ্যাম্প বাফার (ভোল্টেজ ফলোয়ার) ব্যবহার করুন।