ইঃ টিপস এন্ড ট্রিক্সটিউটোরিয়াল

ইলেক্ট্রনিক্সে ফাঁকিবাজী গবেষণা

এই পোস্টের টেকনিক সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। শুধুমাত্র নবীন যারা সহজ ও এনালগ সার্কিট নিয়ে কাজ করছেন তাদের জন্য প্রযোজ্য।

এই ফাঁকিবাজীটা এক ধরনের গবেষণাও বলা চলে। সুতরা্ং নো টেনশন। নীচের এই সার্কিট টি দেখি-

ভিন্ন টেকনিক অবলম্বন করে tda2822m দিয়ে প্রস্তুত এম্পলিফায়ার সার্কিট

আপনি এই ছোট এম্পলিফায়ার TDA2822M IC দিয়ে সার্কিট বানাতে গিয়ে দেখলেন আপনার কাছে ৫০ কি ওহম ভেরিয়েবল নেই, ১০০ মাইক্রোফেরাড ক্যাপাসিটর নেই, ১০৪ পিএফ নেই, ৪.৭ ওহম রেজিস্টরও নেই। আইসি টি আছে। আর আছে কাছাকাছি মানের পার্টস। বাজার থেকে তবে ডায়াগ্রাম মিলিয়ে পার্টস কিনবার কোন দরকার নেই। ৫০ কি ওহম ভেরিয়েবলের পরিবর্তে ১০ কি ওহম বা ১০০ কি. ওহম মানের আছে ? নিশ্চিন্তে লিগিয়ে দিন। ১০০ মাইক্রোফেরাড নেই তবে ৪৭ বা ১০ মাইক্রোফেরাড আছে লাগাতে পারেন। ১০৪ পিএফ সহ ৪.৭ ওহম রেজিস্টর নেই - না লাগালেও আমি অসুবিধা দেখি না। সার্কিট কাজ করবে। পারফরমেন্স হয়তো ১০০% পাবেন না তবে কাজ করবে সার্কিট।

এখানে এই টেকনিক অবলম্বন করে আপনার এনালগ যে কোন সার্কিটে কাজ করতে পারবেন তবে পাওয়ার লাইনের কোন রেজিস্টরের ভ্যালু পরিবর্তন করা যাবে না। যেখানে ফ্রিকোয়েন্সী কন্ট্রোলের বিষয় আছে সেখানেও কম্পোনেন্টের মানের পরিবর্তন করা যাবে না করলে সার্কিট সঠিক ভাবে কাজ করবে না মোটেও। 

এই পোষ্টটি তাদের জন্য যারা নতুন তারা কাজ শুরু করতে গ্যালে দেখা যায় একটি বা দুটি পার্টস না পেয়ে হতাশ হয়ে আর কাজই করতে পারে না তবে বিকল্প থাকা সত্বেও না জানবার ফলে বিকল্পের সন্ধানও করতে পারে না। সাহস রেখে কাজ করতে হবে - শিখতে হলে প্রতিনিয়ত বিকল্পের সন্ধানে থাকতে হবে। এভাবেই একটি সার্কিট নিয়ে নানান ভাবে কাজ করতে করতে সার্কিট সম্বন্ধে জানা যাবে। এতে করে নতুন নতুন জিনিস যেমন শিখা যাবে তেমনই শিখতে গ্যালে যে পড়াশোনাটা করতে হবে তার জন্য শিক্ষাটা স্থায়ী হবে। একটি সার্কিটের কোন পার্টস ঐ সার্কিটে কি কাজ করছে তা জনতে পারলে সার্কিটকে পরিবর্তন করা সম্ভব। মনে রাখতে হবে প্রকাশিত সার্কিট অপটিমাম রেঞ্জে কাজ করবার জন্য ডিজাইন করে প্রকাশ করা হয় তার মানে এই সার্কিটে অন্য ভ্যালুর পার্টস দিলেও কাজ করবে তবে তার পারফরমেন্স আলাদা রকম হবে।

তাই একটা পার্টসের জন্য কাজ আটকে আছে বা সার্কিটের কাজে হাত দেওয়া যাচ্ছে না এই হতাশা ঝেড়ে সার্কিট পড়ে ফেলুন - বিকল্প অনুসন্ধান করে কাছাকাছি মানের পার্টস লাগিয়ে কাজে হাত দিন। জয় আসবেই। ধন্যবাদ

পুনশ্চ: সার্কিটের বেসিক না বুঝে উল্টাপাল্টা পার্টস ও কানেকশন দিয়ে সার্কিট নষ্ট করলে লেখক দায়ী নয়। প্রয়োজনে আমাদের ইলেক্ট্রনিক্স ফেসবুক পাতা বা ওয়েবে কমেন্ট করে পরামর্শ নিতে পারেন। 

duronto

Agricultural Engineering, Blogging, Analog & Digital electronics, Research and development.

Related Articles

5 Comments

  1. কোন ট্রানজিস্টর না পেলে তার পরির্বতে কি করে ও কোন ধরনের ট্রানজিস্টার ব্যাবহার করা যেতে পারে সেই সম্পকে ধরনা দিন

    1. বিশেষ কাজ না হলে যে কোন জেনারেল পারপাস ট্রানসিষ্টর কে অপর একটি দিয়ে রিপ্লেস করা সম্ভব। বিস্তারিত পোষ্ট দেওয়া হবে। ধন্যবাদ

    1. বাজারে সঠিক রেটিংয়ের ট্রান্সফরমার পাওয়া কঠিন একটি কাজ। ভালো দোকান ও বাহ্যিকভাবে দেখতে ভালো ফিনিশিংয়ের ট্রান্সফরমার দেখে ধারনা করা যেতে পারে মান ভালো হতে পারে। এর সাথে সাথে ভালো মানের ট্রান্সফরমারের দামও বেশী হয়।

কমেন্ট করুন-

Back to top button
Close
%d bloggers like this: