বৈদ্যুতিক মোটর আমাদের জীবনের একটি ব্যাপক অংশ জুড়ে রয়েছে। আমাদের হাতের মোবাইল থেকে শুরু করে আমাদের সকল ব্যবহার্য জিনিস উৎপাদন পর্যায়ে এই যন্ত্রের ছোঁয়া। খুব সহজে একটি বেসিক মোটর কিভাবে তৈরী করা যায় তা আজ দেখব। আজ থেকে বছর দশেক আগে প্রথম একটি তৈরী করেছিলাম এবং কিছু দিন আগে একটি আবার ট্রায়াল দিয়েছি। আমার নিজের হাতে টেস্টেড ওকে এই প্রজেক্ট। সো নো টেনশন – ১০০ ভাগ কাজ করে। আসুন তবে দেখি কিভাবে তৈরী করা যায়।
এই মোটর বানাতে আমাদের যা যা লাগবে:
একটি ব্যাটারী (বড় সাইজ হলে ভাল হয় – আগের টর্চ লাইটে যা ব্যবহার হতো তেমন বা সর্বোচ্চ ৬ ভোল্টের যে কোন ব্যাটারী)
ওয়ার গেজের (22 wire gauge) সুপার এনামেল তার বা মোটর বাঁধবার তার – সাইজ একটু কম বেশী হলেও সমস্যা নেই।
হাতে বানানো মটোরে কয়েল কীভাবে লাগাতে হবে তার চিত্রঃ
ছবির মতো করে প্রথমে সুপার এনামেল তারটিকে গোল করে পেচিয়ে নিন। ২০-২৫ টার্ন দিলেই চলবে। এর পর তারকে পেচিয়ে দুই প্রান্ত ছবির মতো করে বের করে নিন। এইবার দুই প্রান্তের কিছু অংশ এন্টি কাটার দিয়ে ছবির মতো করে চেঁছে নিতে হবে। সুপার এনামেল তারের উপর যে বৈদ্যুতিক রোধক থাকে তা উঠিয়ে ফেলতে হবে। এই অংশটা গুরুত্বপুর্ণ বলে এই কাজটি করবার সময় সাবধানতার সাথে কাজ করতে হবে এবং তারের অর্ধেক বরাবর তার কে ঘষে আবরণ তুলে নিতে হবে। দুই প্রান্তের একই দিকে একই পরিমাণ আবরণ তুলতে হবে।
এর পর ব্যাটারীর দুই প্রান্তে দুইটি জেমস ক্লিপ টেপ দ্বারা পেচিয়ে লাগাতে হবে এবং এর আগে জেমস ক্লিপের দুই মাথা প্রয়োজন মতো বাকিয়ে আগে বানানো কয়েলকে ধারন করবার আকারে আনতে হবে।
এর পর ছবির মতো করে চুম্বক বসিয়ে কানেকশন দিয়ে আলতো করে হাত দিয়ে মোটরের লুপটি ঘুরিয়ে দিতে হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে মোটর ঘোরা শুরু করবে। থামানোর জন্য কানেকশন বিচ্ছিন্ন করে দিলেই হবে বা হাত দিয়ে থামানোই যথেষ্ট।
মোটরের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে যদি জানতে চান তাহলে দেখুন এই লিংকটি
অডিও সিস্টেম বানানোর পর কিছু সমস্যা প্রায় সব নতুন হবিষ্টদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। আমি নিজেও যখন শুরু করেছিলাম আমার বানানো প্রায় সব এম্প এ এই সমস্যা থাকত। কখনই প্রফেশনাল মানে ভলিউম লেভেল বাড়ানো অবস্থায় সাইলেন্ট মোড পেতাম না। আপনারা নতুন শুরু করলে এই সমস্যায় পড়বেন বা পড়তে পারেন যার জন্য সাধের এম্পটি কখনই মনের মত হবে না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য আসুন দেখা যাক কি কি করতে পারি আমরা :-
১. প্রথমে আমাদের নজর দিতে হবে এম্প সার্কিটের পিসিবির দিকে। ভাল মানের পিসিবি ব্যবহার করা বাধ্যতামুলক। পিসিবির একটা বড় অংশ জুরে যেন গ্রাউন্ড ছড়ানো থাকে তা লক্ষ্য রাখতে হবে। সেই সাথে পিসিবির সকল কানেকশন পরিস্কার থাকতে হবে।
২. এরপর পিসিবিতে যুক্ত পার্টসের দিকে নজর দিতে হবে। একটি এম্প সার্কিটে মোটামুটি চার ধরনের পার্টস থাকে – ইলেক্ট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর, ননইলেক্ট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর, রেজিস্টর আর আইসি, এর বাইরে ডায়োড থাকতে পারে। সকল পার্টস অবশ্যই ভাল মানের হতে হবে। ভাল একটি এম্প বানাতে সস্তা নকল পার্টস ব্যবহার করা যাবে না। বাজারে নকল পার্টসের ছড়াছড়ি তাই বিশ্বস্ত দোকান থেকে পার্টস কিনতে হবে আর যদি নিজে পার্টস চিনেন তবে ত কথাই নেই। ননইলেক্ট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর ব্যবহারের জন্য মাইলার বা পলিস্টার ক্যাপাসিটর ব্যবহার করবেন – পারতপক্ষে সস্তা সিরামিক ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা যাবে না। ইলেক্ট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটরের ক্ষেত্রে চায়না ক্যাপাসিটর না ব্যবহার করাই ভাল।
৩. সার্কিটে ব্যবহার করা সকল তার ভাল মানের হতে হবে। ২/৩ টাকা গজের সস্তা চিকন তার ব্যবহার করা হলে কখনই ভাল আউটপুট পাবেন না। ইনপুটের ওয়্যারিয়ে ভাল মানের কোএক্সিয়াল তার ব্যবহার করতে হবে।
৪. অডিও সিস্টেমে যে আইসি বা ট্রানসিস্টর ব্যববহার করবেন তা অবশ্যই অরিজিনাল হতে হবে। অরিজিনাল পার্টসের গায়ে পার্টসের নাম এ উৎপাদনকারীর নাম পরিস্কারভাবে ও উজ্জল হরফে লিখা থাকবে। অস্বচ্ছ আর কোন রকমে লিখা পার্টস ব্যবহার করবেন না। তাহলে নয়েজ ত আসবেই সাথে আউটপুটে পাওয়ারও অনেক কম পাবেন ডায়াগ্রামে উল্লেখিত পরিসমাণের চেয়ে।
৫. আউটপুটের ড্রাইভার বা স্পীকার ভাল মানের হতে হবে। সস্তা জিনিস ব্যবহার করলে নয়েজ কিছুটা আসবেই যত যাই করেন না কেন।
৬. পাওয়ার গ্রাউন্ড আর কানেকশন গ্রাউন্ড আলাদা রাখতে হবে।
৭. মেটাল ক্যাবিনেট হলে গ্রাউন্ডের সাথে তা মোটা তার দিয়ে ঝালাই করে দিতে হবে।
৮. ভলিউম কন্ট্রোলসহ টোন কন্ট্রোল ভেরিয়েবল রেজিষ্টরের বডি একসাথে বাড়তি তার দিয়ে যুক্ত করে গ্রাউন্ডের সাথে ঝালাই করে দিতে হবে।
৯. প্রতিটি কানেকশনের ঝালাই যেন পরিস্কার আর ড্রাই সোল্ডার মুক্ত হয় সেটা খেয়াল রাখতে হবে।
১০. আইসি বা ট্রানসিস্টরে ব্যবহৃত হীট সিংক পর্যাপ্ত হতে হবে।
হাম বা ভো ভো শব্দ দুর করবার জন্য যা করতে হবে :-
১. এসি কে ডিসি করবার রেক্টিফায়ার ডায়োড ভাল মানের আর উপযুক্ত এম্পের লাগাতে হবে।
২. ফিল্টারিং ক্যাপাসিটরের মান কমপক্ষে ১০০০০ মাইক্রোফেরাড হওয়া উচিৎ সেই সাথে মানের ব্যপারে আপোষ করা চলবে না।
৩. কানেকশনের তার মোটা আর ভাল মানের হতে হবে।
৪. ট্রান্সফরমার ভাল মানের ও উপযুক্ত এম্পের হতে হবে।
৫. ট্রান্সফরমার হতে এম্পসার্কিট যতটা সম্ভব দুরে স্থাপন করতে হবে।
৬. কানেকশেনর কোন তার যেন ট্রান্সফরমারের উপরদিয়ে বা পাশদিয়ে না যায় তা খেয়াল রাখতে হবে।
৭. ট্রান্সফরমারের বডিকে রাবার বা প্লাস্টিকের সাহায্যে চেসিস (ক্যাবিনেট) থেকে আলাদা করে রাখতে পারলে ভাল হবে।
৮. সম্ভব হলে এম্প ও প্রি এম্পের জন্য আলাদা ট্রান্সফরমার ব্যবহার করতে হবে।
মোটামুটিভাবে উপরে লিখা মোতাবেক কাজগুলো ভাল ভাবে করতে পারলে একটি ক্রিস্টাল ক্লিয়ার সাউন্ড মেশিন আপনি নিজেই বানাতে পারবেন। তবে কথা থাকে যে এই কাজে কখনই তাড়াহুড়ো করবেন না। আর প্রতিটি কানেকশন কমপক্ষে ৩ বার চেক করবার পর পাওয়ার দিবেন সার্কিটে। যা জানেন না তা নিয়ে অভিজ্ঞ কারও সহায়তা ছাড়া এক্সপেরিমেন্ট করতে যাবেন না। ইলোক্ট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর ভুল কানেকশনের ফলে বিস্ফোরিত হয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বা আপনি মারাত্বক রকমের ব্যদ্যুতিক শক খেতে পারেন। সাধারণ সতর্কতা পালন করতে হবে এবং সেই সাথে আমার লিখা পড়ে কিছু করতে গিয়ে উল্টাপাল্টা করে ফেলেন যদি তবে আমাকে দায়ী করা যাবে না।
পুর্বে এখানে প্রকাশিত: www.muktochintablog.com/blogpost/details/18565
একটি রোবট কে ওয়্যারলেস সিস্টেমে কন্ট্রোল করার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে যেমন: রিমোটের মাধ্যমে, ব্লুটুথ এর মাধ্যমে, ওয়াইফাই, রেডিও কন্ট্রোল. ট্রান্সমিটার এর মাধ্যমে ইত্যাদি। কিন্তু এসব পদ্ধতিতে সার্কিট ডিজাইন খুবই জটিল আর ব্যয় বহুল। তাই কম খরচে আর সহজ সার্কিটডায়াগ্রাম নিয়ে এই মোবাইল কন্ট্রোল রোবট। এটি সম্পূর্ন আমার টেস্টেড বা পরিক্ষিত। আর এটা তৈরিতে কোন মাইক্রোকন্ট্রোলার দরকার নাই তাই প্রোগ্রামিংয়েরও ঝামেলা নাই। তাই যারা ইলেকট্রনিক্স জগতে নতুন তারাও এটা বানাতে পারবে বলে আশা করি।
এই রোবট টা কন্ট্রোল করতে আমরা মোবাইলের DTMF (Dual Tone Multy Frequency) প্রযুক্তি ব্যবহার করব ।
DTMF কি?
সহজ ভাষায়, আমরা যখন কোন সিম কোম্পানির কাস্টমার কেয়ারে কল করি তখন আমরা শুনতে পাই, “বাংলায় শোনার জন্য ১ চাপুন আর ইংরেজিতে শোনার জন্য ২ চাপুন” । ধরেন আপনি ১ চাপলেন, তারপর আপনি সব বাংলায় শুনতে পারলেন । এখন প্রশ্ন হল আপনি আপনার মোবাইলে ১ চাপলেন নাকি ২ চাপলেন এটা কাস্টমার কেয়ারের কম্পিউটার কিভাবে বুঝল? যে পদ্ধতির মাধ্যমে কম্পিউটার এটা বুঝল সেই পদ্ধতিই হল DTMF ।
এই ব্যাপারটা হয়ত এর থেকেও ভালভাবে বলা যেত। কিন্তু সবাই যেন সহজে বুঝতে পারে তাই খুবই কম কথায় বোঝানোর চেষ্টা করলাম ।
কি কি লাগবে
তাহলে, প্রথমে দেখে নিই এই রোবট তৈরিতে আমাদের কি কি লাগবে । সকল পার্টসই বাংলাদেশে পাওয়া যায় ।
সার্কিটটা খুব কঠিন না । আশা করি বানাতে পারবেন । বেশি বর্ণণার প্রয়োজন নাই বলে মনে করি কারণ সার্কিটটা সহজ ।
কীভাবে কাজ করে
এবার আসি কিভাবে এটা কাজ করে । সার্কিট বানানোর পর মোটর, ব্যাটারী, হেডফোন জ্যাকের তার সব সার্কিটের সাথে লাগিয়ে নিই । এবার একটি মোবাইলের হেডফোনের জায়গায় সার্কিটের হেডফোন জ্যাকটি ঢুকান । যে মোবাইলে হেডফোন জ্যাক লাগালাম এটার নাম দিলাম রিসিভার ফোন । আর আপনার কাছে আর একটা ফোন থাকা লাগবে যেটা দিয়ে রিসিভার ফোনে কল দিবেন । আপনার কাছে যে ফোনটি থাকবে এটার নাম দিলাম ট্রান্সমিটার ফোন ।
এবার আপনার হাতের ফোন অর্থাৎ ট্রান্সমিটার ফোন থেকে – রোবটে সংযুক্ত ফোন অর্থাৎ রিসিভার ফোনে কল দিই । কল রিসিভ করার পর হাতের ফোন থেকে ৯ চাপুন, দেখবেন রোবট সামনে যাচ্ছে । আবার, ৬ চাপলে পিছনে যাবে । ৩ চাপ দিলে রোবট থেমে যাবে ।এভাবে এটা ডানে-বাঁয়ে, 360 ডিগ্রিও ঘুরতে পারে । মোবাইলের ০-৯ সবগুলো ডিজিটের সাহায্যে আলাদা আলাদা কমান্ড আছে । কত চাপ দিলে কি কাজ করবে সেটা নিচের চার্টটা দেখলে বুঝতে পারবেন ।
রোবট মুভমেন্ট চার্ট
1 —————Front Right
2 —————Reverse Left
3 —————Stop
4 —————Reverse Right
5 —————360 degree rotation (Right)
6 —————Reverse
7 —————Reverse Right
8 —————Front Left
9 —————Forward
0 —————360 degree rotation (Left)
PWM এর পূর্নরূপ হলো Pulse Width Modulation. ডিজিটালইলেকট্রনিক্স এর জগতে একটি অপরিহার্য পদ্ধতি এই PWM. বিভিন্ন কাজে, যেমন LED এর উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রন, DC মোটরের গতি নিয়ন্ত্রনসহ নানা কাজে ব্যবহার করা হয় এই পদ্ধতিটি। এনালগ ইলেকট্রনিক্সে মূলত কোন লাইট বাল্বের উজ্জ্বলতা অথবা মোটরের গতি নিয়ন্ত্রন করা হয়ে থাকে দুই ভাবে।
কিন্তু ডিজিটালইলেকট্রনিক্স এর ডিভাইস গুলি যেমন মাইক্রোকন্ট্রলারভোল্টেজ বলতে চেনে কেবল 0 Volt (0) অথবা 5 Volt(1). সুতরাং সেক্ষেত্রে গতি অথবা উজ্জলতা নিয়ন্ত্রন করা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। দরকার পরে নতুন কোন পদ্ধতির যাকে বলে PWM (পিডব্লিউএম)
একটু সহজ ভাবে পিডব্লিউএম (PWM)
যেহেতু মাইক্রোকন্ট্রোলার শুন্য অথবা ৫ ভোল্ট আউটপুট দিতে পারে সেহেতু যা করার এই দুটো ভোল্টেজ দিয়েই করতে হবে। ধরুন আপনি একটা LED তে ৫ সেকেন্ড ধরে ৫ ভোল্ট দিলেন, এবং ৫ সেকেন্ড ০ ভোল্ট দিলেন। অর্থাৎ, ৫ সেকেন্ড জ্বালালেন এবং ৫ সেকেন্ড নেভালেন।
আপনি একটি Blinking LED তৈরী করে ফেললেন যা জ্বলছে-নিভছে। এখন এই Blinking কে আরো দ্রুত করে দেয়া হলো। সেকেন্ডে ২০ বার জ্বলছে এবং ২০ বার নিভছে। সুতরাং, জ্বলা নেভার ফ্রিকোয়েন্সি ২০ হার্জ। মানুষের চোখ ০.১ সেকেন্ডের পরিবর্তন ধরতে পারে। কিন্তু LED কে জ্বলা-নেভা করা হচ্ছে ০.০৫ সেকেন্ডের মধ্যে। যা মানুষের চোখ ধরতে পারে না। মনেহয় বরং যেন উজ্জ্বলতা কমে গেছে।
এই blinking টা আরো দ্রুত করলে আরো ভালো ফল পাওয়া যাবে। ধরাযাক সেকেন্ডে ৫০০ বার অন এবং ৫০০ বার অফ করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে উজ্জ্বলতা অর্ধেক হয়ে যাবে। শুধু তাই না, খুব দ্রুত অন-অফ সুইচিং হবার কারনে এভারেজ কারেন্ট কমে যাবে এবং তার সাথে সাথে উজ্জ্বলতা কমানো যাবে।
সহজ ভাবে এলইডি দয়ে পিডব্লিউএম (PWM) কিভাবে কাজ করে তা দেখানো হয়েছে
ডিউটি সাইকেল (Duty Cycle) কি?
এখন আসা যাক আরেকটি নতুন কনসেপ্টে, ডিউটি সাইকেল কি?
এই যে LED কে সেকেন্ডে ৫০০ বার অন এবং ৫০০ বার অফ করা হচ্ছে। এখানে অন এবং অফ এর অনুপাত কত? উত্তর ১ঃ১। অর্থাৎ অর্ধেক সময় (১ মিলিসেকেন্ড) অন থাকছে এবং অর্ধেক সময় (১ মিলিসেকেন্ড) অফ। ১০০ এর অর্ধেক ৫০।
সুতরাং এই PWM Frequency এর ডিউটি সাইকেল 50%. উজ্জ্বলতা/ গতি নির্ভর করে এই ডিউটি সাইকেল এর উপর। যেহেতু এক্ষেত্রে ডিউটি সাইকেল 50% সেহেতু LED এর উজ্জ্বলতা অর্ধেক হবে। নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন।
সহজ ভাবে বাল্বের জ্বলা নেভা দিয়ে ডিউটি সাইকেল দেখানো হয়েছে
একই হিসেবে যদি LED টি যদি ৫০ ভাগ সময়ের পরিবর্তে ২৫ ভাগ সময় অন এবং ৭৫ ভাগ সময় অফ থাকে, তাহলে বেশি সময় সে অফ থাকছে এবং কম সময় অন থাকছে। এক্ষেত্রে ডিউটি সাইকেল (Duty Cycle) হলো মাত্র ২৫% । সুতরাং LED এর উজ্জলতা কমে ২৫% হয়ে গেলো। ঠিক একই ভাবে বেশি সময় অন রেখে এবং কম সময় অফ রেখে উজ্জ্বলতা বারানো যায়।
পিডব্লিউএম (PWM) পদ্ধতিতে লাইটের উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করতে ডিউটি সাইকেলের ব্যবহার
সকলের বোঝার সুবিধার জন্য আরো কিছু ছবি নিচে দেয়া হলো।
পিডব্লিউএম (PWM) পদ্ধতিতে লাইটের উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করতে বিভিন্ন রকম ডিউটি সাইকেলের প্রয়োগ – ১পিডব্লিউএম (PWM) পদ্ধতিতে লাইটের উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করতে বিভিন্ন রকম ডিউটি সাইকেলের প্রয়োগ – ২
আজকের পর্ব এ পর্যন্তই। সামনের পর্বে বাস্তব উদাহরন হিসেবে এবং 555 IC দিয়ে PWM ব্যবহার করে LED’র উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রনের একটি প্রজেক্ট করে দেখানোর চেষ্টা করা হবে ইন শা আল্লাহ।
প্রথমেই জেনে নেই ফ্রীজে স্টার্টিং ডিলে সার্কিট কেন ব্যবহার করা উচিৎ-
ফ্রেয়ন নামক এক ধরনের গ্যাসকে অতি উচ্চ চাপ ও বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে recycling সম্পাদান করে ফ্রীজ কে ঠান্ডা করা হয়। এই রিসাইক্লিং প্রকৃয়া ও উচ্চচাপের জন্য কম্প্রেসর ব্যবহৃত হয়। আবার এই recycling টাইম ও আভ্যন্তরীন তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ফ্রীজের ভিতর থাকা থার্মো-কন্ট্রোল ডিভাইস। কমপ্রেসার নিয়মানুযায়ী বন্ধ হলে, উচ্চ চাপের গ্যাস ব্যাক প্রেসার দিয়ে কমপ্রেসার এর ভিতর চলে আসে।
কিন্ত কমপ্রেসার চালু থাকা অবস্থায় হঠাত পাওয়ার ফেইল হয়ে আবার একটিভ হলে গ্যাসের ব্যাক প্রেশারের কারনে কমপ্রেসার কে জ্যাম করে ফেলে। যার ফলে কমপ্রেসার টিতে প্রচুর চাপ পড়ে। ক্ষেত্র বিশেষে পুড়েও যেতে পারে। ফলে টাকা, সময়, ভোগান্তির শেষ থাকে না। কাজেই আমরা যদি এমন একটি ডিভাইস তৈরি করি যা কারেন্ট হঠাত চলে গিয়ে আসলেও সেই পাওয়ার কে নির্দিষ্ট সময়ের পরে অর্থাৎ ডিলে’র মাধ্যমে ফ্রীজে / কম্পেসরে প্রদান করে তাহলে আর কোনো সমস্যা থাকেবে না। এই সার্কিটকেই ডিলে সার্কিট হিসেবে অভিহিত করা যায়।
কি ভাবে বানাবো এই ডিলে সার্কিট?
আমরা NE555 টাইমার নিয়ে অনেকেই অনেক প্রজেক্ট বানিয়েছি, আসলে এই টাইমার আইসি টিকে অনেক কাজেই ব্যবহার করা যায়। আজ আমরা এটাকে ফ্রীজের সার্টিং ডিলে সার্কিট হিসাবে কিভাবে ব্যবহার উপযোগী করা যায় তা দেখব। যার ফলে কারেন্ট চলে গিয়ে আবার আসলেও কমপ্রেসারের উপর চাপ না পরে।
পাওয়ার সাপ্লাই এর জন্য ১ টি ৯-০-৯ ভোল্টের ট্রান্সফরমার (আমরা এটাকে ০-১৮ করে নিব) ৪টা ডায়ড, ২টা ফিল্টারিং ক্যাপাসিটর এবং ৭৮১২ আইসি ব্যবহার করে ১২ ভোল্ট রেগুলেটেড পাওয়ার সাপ্লাই তৈরি করে নিলে এটি টাইম এর ভেরিয়েসন আর ডিভাইস এর অপারেটিং ভোল্টেজ কে স্থির রাখবে। এবং ডিভাইস এর লাইফ টাইম বাড়িয়ে দেবে।
৪নং ও ৮নং পিনে (+) পাওয়ার এবং ১নং পিনে (-) গ্রাউন্ড সংযোগ হবে। ২নং (TRIG) পিন এবং ৬নং (THR) পিন শর্ট করে 1M ওহমস ও 100uf এর সংযোগ হবে।
৭নং (DIS) পিন আমরা ফাকা রাখব। যেন ৬নং ও ২নং পিনের সাথের ক্যাপাসিটর টা ডিসচার্জ না হয়, এতে টাইমার টা একবার টাইম কাউন্ট করে থেমে যাবে (মনো শট)।
যখন পাওয়ার রিসেট হবে তখন পুনরায় টাইমার টা কাউন্ট করা শুরু করবে।
৩ নং পিন থেকে আউট পুট এর জন্য 3.3k , BC558, ও ১২ ভোল্ট এর রিলে ব্যবহার করব।
২টা LED ডিলেটাইম একটিভ ও আউট পুট নরমাল একটিভ ইন্ডিকেটর এর কাজ করবে।
রিলের COM (Common) ও NO (Normally Open) পিন ফ্রীজের সকেটের সাথে সিরিজ হয়ে যাবে। সংক্ষেপে ডিলে সার্কিট এর কাজ এরূপেই হয়।
আইপিএস এখন বহুল জনপ্রিয়। লোডশেডিং থেকে পরিত্রাণের সহজ উপায় বাৎলে দিয়েছে এই আই পি এস নামক যন্ত্রটি। আজকাল লোডশেডিং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনুষঙ্গই বলা চলে। লোডশেডিং এর ফলে জীবনযাপন, ব্যবসা-বাণিজ্য সহ প্রায় সবকিছুই স্থবির হয়ে পড়ে। বিশেষত বাসা-বাড়িতে শিশু, বয়স্ক লোক ও অসুস্থদের সমস্যা বেশি হয়।
এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আজকাল অনেকেই “আইপিএস” কিনছেন বা কেনার কথা ভাবছেন। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ হওয়ায় এতে কোনো ঝামেলা নেই। আইপিএস এর মাধ্যমে বাতি, ফ্যান, ফ্রিজ, কম্পিউটার, টিভি, ভিডিও প্লেয়ার প্রভৃতি প্রায় সব ধরনের ইলেকট্রিক বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রই চালানো যাচ্ছে।
চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকায় আই পি এস ব্যবহারে কোনো ফুয়েল বা লুব্রিকেন্টেরও প্রয়োজন হয় না। ব্যাকআপ পাওয়া যায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা কিংবা আরো বেশি। তবে আইপিএস সম্পর্কে সঠিক তথ্য না জানার ফলে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের বিড়ম্বনার সম্মুখীন হচ্ছেন। আসুন আইপিএস সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নিই। একই সাথে বাজারে বহুল প্রচলিত একটি সার্কিট বোর্ড দিয়ে আইপিএস তৈরি করাও শিখবো।
আইপিএস কী
IPS এর অর্থ Instant Power Supply. অর্থাৎ আই পি এস এমন একটি ইলেকট্রনিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ব্যাটারীতে সঞ্চিত ডিসি শক্তিকে এসি প্রবাহে রূপান্তর করে বৈদ্যূতিক লোড যেমন বাতি, পাখা ইত্যাদি চালানো যায়।
যখন বিদ্যূৎ সরবরাহ থাকে তখন চার্জারের মাধ্যমে ব্যাটারীকে চার্জ করে বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করা হয়। আর যখন বিদ্যূৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় তখন উপযুক্ত যন্ত্রাংশের মাধ্যমে ব্যাটারী হতে সঞ্চিত শক্তিকে প্রয়োজনীয় রূপে পরিবর্তন করে বৈদ্যুতিক লোড চালনা করাহয়। এই যন্ত্রের নাম আইপিএস। এবার আসি আসল কথায়, নিজে নিজে আই পি এস কিভাবে বানাবো-
প্রথমে ক্যবিনেটের ভিতরে ট্রান্সফরমার বসানোর যায়গা ও সার্কিট বসানোর যায়গা ড্রিল দিয়ে ছিদ্র করে নিন। তার পরে ট্রান্সফরমার স্ক্রু দিয়ে ক্যবিনেটের সাথে ভালো ভাবে আটকে দিন।
ট্রান্সফরমার টেকনিশিয়ান দের দিয়ে এইভাবে ট্যাপ (Tap) বের করে নিবেন-
ট্রান্সফরমার এর ট্যাপ ডিজাইন
আইপিএস ট্রান্সফরমারের ট্যাপ ডিজাইন
যেভাবে ঝালাই করবেন
ক্যাবিনেটের যে পাশে থ্রি-পিন প্লাগ আর কুলিং ফ্যান থাকে এবার কালো তার সেই পাশে নিচের দিকে সমান্তরালে তিনটা ছিদ্র থাকে তার একটা দিয়ে ঢুকিয়ে নাতাসা বা বিমটেক্স বোর্ডের ছবিতে দেওয়া স্থানে ভালো করে ঝালাই করে দিন।
ঝালাইয়ের স্থান
এরপরে লাল তারটি ট্রান্সফরমারের লো ভোল্ট সাইডের যে তিনটা তার থাকে তার মাঝ খানেরটাতে ভালো করে ঝালাই করে দিন নিচের ছবির মতো।
ট্রান্সফরমারের ঝালাইয়ের স্থান
এরপরে লো ভোল্ট সাইডে বাকি যে দুইটা মোটা তার থাকে তার একটা বোর্ডের একটা হিটসিংকে আর অপরটা অন্য হিটসিংকে স্ক্রু দিয়ে ভালো করে লাগান। (উপরের ছবি দ্রষ্টব্য)
যেভাবে আইপিএস বোর্ডকে ওয়্যারিং করতে হবে
এইবার ওয়্যারিং এর পালা। ওয়্যারিং করার জন্য কম্পিউটারের নষ্ট পাওয়ার সাপ্লাই এর তার হলে খুব ভালো হয়। আমি ওয়্যারিং ডায়গ্রাম নিচে দিলাম।
উপরের চিত্রে বাঁ থেকে ৬টা পিন পয়েন্ট দেখতে পাচ্ছেন।
১ নং পিনে খেয়াল করুন, একটা ক্যপাসিটর কে বাড়ির লাইনের নিউট্রালের সাথে সিরিজে লাগিয়ে দিন।
২নং পিনে আপনার আইপিএস এর এসি ইনপুট কর্ড এর ফেস (Phase) তারের সংযোগ দিন।
৩নং পিনে আপনার ইনভারটার ট্রান্সফরমার এর আউটপুটের তার (যেটা দিয়ে ২৮০/৩০০ ভোল্ট বেরুবে ) সংযোগ দিন।
৪নং পিন থেকে তার নিয়ে ইনভারটার এর যে আউটপুট সকেট আছে তার ডান পাশের পিনে ভালো করে ঝালাই করে দিন।
৫নং পিন আমরা ব্যবহার করবো কারেন্ট আসলে ইনভার্টার এর মাধ্যমে ব্যটারি চার্জ করার জন্য। এটার সংযোগ হবে পিন থেকে তার নিয়ে ট্রান্সফরমার এর যে ট্যাপ ১৪০ ভোল্ট সেটার সাথে।
৬নং পিন বাড়ির নিউট্রাল (ইনপুট কর্ডের নিউট্রাল) + ইনভারটার ট্রান্সফরমার এর নিউট্রাল এর সাথে এক করে ভালো করে ঝালাই করে দিন। ব্যাস আমাদের ওয়্যারিং শেষ। এখন সংযোগ দেবার পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হবে।
আউটপুট লাইটের উজ্জ্বলতা ঠিক করতে হবে যত ওয়াটের আইপিএস ততো ওয়াটের লাইট জ্বালিয়ে সার্কিটে থাকা ভেরিয়েবেল ঘুরিয়ে
ব্যটারি চার্জ এম্পিয়ার ঠিক করতে হবে (এম্পিয়ার দিতে হবে ব্যটারির এম্পিয়ারকে ৮ দিয়ে ভাগ দিলে যা আসে ততোটুকু) ব্যাটারি পোস্টের যে কোনো একটা তার খুলে সিরিজে একটা এম্পিয়ার মিটার দিয়ে মাপলে বোঝা যাবে এম্পিয়ার কত যাচ্ছে
ব্যাটারি চার্জ ভোল্ট ঠিক করতে হবে মানে কত ভল্টে গেলে অটো কাট হবে
পরিশিষ্ঠঃ
আশাকরি যাদের হাল্কা টেকনিক্যাল/ইলেকট্রনিক্স জ্ঞান আছে তারা তৈরি করতে পারবেন। আর তা করতে পারলেই আমার এই কষ্ট করে লেখার স্বার্থকতা। ভুল হতে পারে, ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সকল কে ধন্যবাদ।
বিঃদ্রঃ কিছু না বুঝলে নিচে কমেন্টে জানাবেন। এই আই পি এস ছাড়াও মিনি আইপিএস নিয়ে জাহিদুল হাসান ভাইয়ের লেখা আমাদের সাইটে পড়তে পারেন এই লিংক থেকে – মিনি আইপিএস তৈরি
সাবধানতাঃ এসি ওয়াটার পাম্প কন্ট্রোলার হাই ভোল্টেজ এবং অনেক হাই কারেন্ট সার্কিট। হাই ভোল্টেজ হাই কারেন্ট সার্কিট সম্পর্কে ধারনা না থাকলে এই প্রজেক্ট করবে না ।
ডার্ক সেন্সর আর ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটর করা হয়ে গেলে এটি অপেক্ষাকৃত সহজ একটি ছোট প্রজেক্ট। আমরা ঐ দুই প্রজেক্টের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে এই প্রজেক্টটি করব। ছবিতে প্রজেক্টের মূলনীতি দেখানো হয়েছে।
এই সার্কিটের মূলে রয়েছে একটি ৫৫৫ আই সি। ৫৫৫আইসির কার্যপদ্ধতি একটু আবার স্মরন করিঃ
৫৫৫আইসিকে বহু ভাবে ব্যাবহার করা যায়, যেমন টাইমার, টগল সুইচ ইত্যাদি। বর্তমানে আমরা একে একটি কন্ট্রোলড টগল সুইচ হিসাবে ব্যাবহার করব। যাতে ২ আর ৪ নং পিন ব্যাবহার হবে; আর পিন ৩ হবে আউটপুট।
সেট হয়ঃ ২ নং পিনের ভোল্টেজ যদি 1/3 x Vcc এর কম হয় ( যেমন Vcc=12 volt হলে ২নং পিন ভোল্ট 4 ভোল্টের কম হলে)।
রিসেট হয়ঃ ৪ নং পিনে ভোল্টেজ যদি গ্রাউন্ড বা নেগেটিভ স্পর্শ করে।
আমরা এক্ষেত্রে ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটরের আপ বা হাই লেভেলে ৬ নং পিন যুক্ত করব আর নীচ বা লো-র সাথে ২ নং পিন।
ট্যাংক খালি হলেঃ ২ নং পিন পানির ছোয়া থেকে সরে গেল ভোল্টেজ শুন্য হয়ে যাবে ফলে ৫৫৫ আইসি সেট হয়ে যাবে। এতে ৩ নং পিনে ভোল্টেজ এসে রিলে অন করে দিবে। এই অবস্থা চলতে থাকবে যতক্ষন ৫৫৫ আই সি রিসেট না হয়।
ট্যাঙ্ক ফুল হলেঃ আপ বা হাই প্রোব পানি ছোবে আর ট্রানজিস্টর এর বেজ এ ভোল্টেজ দেখা দিবে যা ৪নং পিনকে গ্রাউন্ডের সাথে কানেক্ট করে সার্কিট রিসেট হয়ে ৩ নং পিনের আউটপুট বন্ধ করে দিবে। ফলে রিলে অফ হবে। এই অবস্থায়ই চলতে থাকবে যতখন ৫৫৫ আইসি আবার সেট অবস্থা না হবে।
দ্রষ্টব্যঃ ইলেকট্রিক পাম্প সাধারনত অনেক কারেন্ট টানে তাই উচ্চ এম্পিয়ার রেটিং রিলে ব্যবহার করতে হবে। যেমন আমার বাসায় ২ হর্স পাওয়ারের সাবমারসিবল পাম্প/ সাবমার্সিবল পাম্প ব্যবহৃত হয়। আমি ১২ ভোল্ট ডিসি কন্ট্রোল সাইড, ২৫০ভোল্ট ৩০ এম্পিয়ার এসি লোড রেটিং এর রিলে ব্যবহার করি।
লাইন টেস্টারপ্রজেক্ট টি অনেক ক্ষুদ্র হলেও আমাদের অনেক জরুরী একটি পরিমাপক সরঞ্জাম। যা আমাদের বাস্তব জীবন কে আরো সহজ করে দেয়। আমাদের এই ডিভাইস কাজ করে মূলত ব্যবহারিত ইলেক্ট্রিক লাইনের আবেশ কে এমপ্লিফাই করে এর আউটপুটকে হাই করে, যা LED কে জ্বালিয়ে রাখে। অর্থাৎ যখন কোন ইলেকট্রিক লাইন এর সংস্পর্শে যাবে, তখন এর LED জ্বলে উঠবে। কোন AC পাওয়ার ক্যাবলের / লাইন এর insulation (অন্তরণ) এর উপর দিয়ে সার্কিটটি নিলে যদি LED জ্বলে, তাহলে আমরা বুঝতে পারব এর পাওয়ার এক্টিভ আছে বা তারের অভ্যন্তরে কারেন্ট প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া কোন পাওয়ার ক্যাবল বা তার এর মাঝে কোন ব্রেক (কাটা) থাকলে তাও আমরা সহজেই খুজে বের করতে পারব। যেমন ধরুন একটি পাওয়ার ক্যাবলের পাওয়ার চালু (throw) আছে কিন্তু লোড পর্যন্ত পাওয়ার যাচ্ছে না। তখন এই লাইন টেস্টার টি তারের উপর দিয়ে চেক করতে থাকলে এক সময় LED অফ হয়ে যাবে, যার অর্থ এখানেই তারটি কাটা আছে। আপনি ওই স্থানে কেটে তারটি পুনরায় জোড়া দিয়ে কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। যা আপনার ভোগান্তি থেকে সহজেই মুক্তি দেবে। আশাকরি এই লাইন টেস্টার প্রজেক্টটি সবার কাজে দেবে ও অনেক ভোগান্তি হতে সবাই মুক্ত থাকতে পারবেন।
Android ফোন এবং Arduino দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করুন আপনার ঘরের বিভিন্ন সুইচ (Home Automation Basic)
আসুন, দেখে নিই কি ভাবে সার্কিট কি কাজ করে।
আমারা জানি BLUETOOTH রেডিও ব্যাবহার করে ডাটা স্থানান্তরিত বা নির্দিষ্ট ডিভাইস এ পাঠানো যায়। আমরা এখানে Android ফোন ও Arduino কে সংযুক্ত করার জন্য BT প্রযুক্তি ব্যাবহার করব।
আমরা জানি যে 5V এর রিলে তে 5V দিলে সেটি অন হয়ে যায়।আর রিলে টি যদি ২৪০ ভোল্ট এসি লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে তবে রিলে অন করলে আউটপুটে ২৪০ ভোল্ট পাওয়া যায় আর রিলে অফ করলে ০ ভোল্ট।
ধরুন “১” এই সংখ্যাটি যদি BT module এর মাধ্যমে Arduino তে আসে তাহলে রিলে টি অন হবে আর “২” এই সংখ্যাটি যদি BT module এর মাধ্যমে Arduino তে আসে তাহলে রিলে টি অফ হবে। তাহলে Android ফোন দিয়ে “১” আর “২” দুইটি সংখ্যা পর্যায়ক্রমে পাঁঠিয়ে সুইচ নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব ।
আর যদি অনেক গুলো সুইচ নিয়ন্ত্রন করার দরকার হয় তবে প্রতিটি সুইচ বা রিলের জন্য আলাদা দুইটি Command দিয়ে তা নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব ।
আমরা এই প্রোজেক্ট টাকে মোট তিন ভাগে ভাগ করব।
১.প্রথমে android ফোন এ ব্যবহার উপযোগী একটা ইন্টারফেস তৈরি করব।
২.Arduino তে প্রোগ্রাম করব।
৩.সার্কিট সংযোগ করব।
ধাপ-১: Android ফোন এ আমরা একটা apps তৈরি করব যা দিয়ে command পাঠানো যাবে। এ জন্য Android Studio এবং Java ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে কম্পিউটারে ইন্সটল করে নিতে হবে।
এখানে আমাদের কাজ দুইটি।
১। ইউজার এর জন্য গ্রাফিক্যাল লেআউট তৈরি।
২।মুল কোডিং বা জাভা কোডিং।
এখন Android Studio রান করে Application name লিখে NEXT বাটন এ ক্লিক করতে হবে।
তারপর আবার next বাটন তারপর blank Activity select করে নেক্সট বাটন তারপর ফিনিস এ ক্লিক করতে হবে।তারপর যে উইন্ডো ওপেন হবে সেখানে activity_main.xml এর ভিতর নিচের কোড টা কপি করে দিতে হবে।
Android ও Arduino বেইজ Home Automation এর গ্রাফিক্যাল লেআউট তৈরির জন্য নিচের কোড কপি করুন Android Studio তে
এরপর /res/value ফোল্ডার এর ভিতর style.xml এ নিচের কোড টা লিখে দি।
****************************************************************
<resources>
<!--
Base application theme, dependent on API level. This theme is replaced
by AppBaseTheme from res/values-vXX/styles.xml on newer devices.
-->
<style name="AppBaseTheme" parent="android:Theme.Light">
<!--
Theme customizations available in newer API levels can go in
res/values-vXX/styles.xml, while customizations related to
backward-compatibility can go here.
-->
</style>
<!-- Application theme. -->
<style name="AppTheme" parent="AppBaseTheme">
<!-- All customizations that are NOT specific to a particular API-level can go here. -->
</style>
</resources>
******************************************************************
ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটর কেন ব্যবহার করবোঃ ধরাযাক ৮ তলা বাড়ির ছাদে একটি পানির ট্যাঙ্ক বসানো আছে। সেটি তুমি দোতলা থেকে সুইচ দিয়ে কন্ট্রল কর (অন/অফ)। পানির চাহিদা বিভিন্ন সময় উঠানামা করায় ট্যাঙ্কে কখন কতখানি পানি থাকে তা অনিশ্চিত। ফলে এমন প্রায়শই এমন বিড়ম্ববনায় পড়তে হয় যে কখন ঠিক পাম্প ছাড়তে হবে আর কখন পাম্প বন্ধ করতে হবে তা নির্নয় করা যায় না। আবার ৮ তলার ছাদে গিয়ে বার বার ট্যাঙ্ক চেক করাও সম্ভব না। তাই এই বিড়ম্বনা দূর করতে আমাদের এই প্রজেক্ট। এই প্রজেক্টে আমরা একটা ইন্ডিকেটর বানাবো যা ট্যাঙ্কে পানির লেভেল নির্দেশ করবে। ফলে আমরা সার্বক্ষনিক ধারনা থাকবে কখন পাম্প ছাড়তে ও বন্ধ করতে হবে (অটো অন/অফ অন্য প্রজেক্টে করা হবে)।
প্রথম দিকে যে সার্কিটিগুলি করব তা কিছুটা এক্সপেরিমেন্টাল ধরনের। ইচ্ছা করলে ওগুলো তোমরা ব্যাবহার করতে পার। তবে পরবর্তিতে আরো সহজে আরো উন্নত সার্কিট কিভাবে করা যায় সেটা শিখবো।
প্রথম এই সার্কিটের মূলে রয়েছে একটি ট্রাঞ্জিষ্টর। তাই আমি প্রথমে ট্রাঞ্জিষ্টরের কার্য পদ্ধতি নিয়ে সামান্য আলোচনা করব। ছবিতে একটা লেড (LED) সার্কিট দেখানো হয়েছে। বাম পাশের চিত্রে ওটিকে একটি পুশ সুইচ চাপ দিয়ে অন/ অফ করা যায় (পুশ করে রাখলে অন, ছেড়ে দিলে অফ)। এই পুশের মুলে রয়েছে আঙ্গুল দিয়ে প্রদত্ত বল, যা স্প্রিং এর বাধা অতিক্রম করে সার্কিটের দু প্রান্তকে এক করে।
এখন যদি এই বলকে ভোল্টেজ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যায় তবে কেমন হয়? চিত্রে মাঝেরটায় এমনই ধারনা দেখানো হয়েছে। ডান পাশেরটায় যে ভাবে ইলেক্ট্রনিকালি করা সম্ভব তাই দেখানো হয়েছে। এখানে পুশ সুইচের বদলে একটি ট্রাঞ্জিষ্টর ব্যাবহার করা হয়েছে। ট্রাঞ্জিষ্টারের তিনটি পা থাকে। বেস, কালেক্টর ও ইমিটর। কালেক্টর ও ইমিটর সার্কিটে সরাসরি যুক্ত।
কিন্ত এতে কারেন্ট প্রবাহ ততক্ষন হয় না যতক্ষন বেসে (চিত্রে ট্রাঞ্জষ্টরের উপরিভাগে, আমরা ইচ্ছাকরে ইমিটার কালেক্টর মার্ক করিনি, কারন ট্রাঞ্জিষ্টরে ধরন অনুযায়ি বিভিন্ন চিত্র হতে পারে) উপরের সামান্য ভোল্টেজ না দেয়া হয়। বেসের ঐ ভোল্টেজ পুশ বা ধাক্কার কাজ করে যা কালেক্টর আর ইমিটরের মধ্যকার সেমিকন্ডাকার রোধ বাধা (স্প্রিং এর বাধার মতো) দূর করে দেয়। যতক্ষন বেস ভোল্টেজ পায় ততক্ষন কালেক্টর আর ইমিটারে সংযোগ থাকে ( যেমন পুশ সুইচে যতখন পুশ ততক্ষন অন)। বেসে যে ভোল্টেজ লাগে তা অত্যন্ত সামান্য কিন্তু তা দিয়েই কালেক্টর ও ইমিটারে প্রচুর ভোল্টেজ পাস করানো যায়।
এই মূল নীতিতেই আমাদের ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটরের মূলনীতি। আমরা চিত্রের ডান পাশের চিত্রে বেসটিকে ভোল্টেজ প্রবাহ থকে বিচ্ছিন্ন দেখতে পাচ্ছি, কারন বেস আর মূল সার্কিটে একটা গ্যাপ আছে। এই গ্যাপ দুটোর মাঝখানে যদি এমন কিছু রাখা হয় যা সামান্য পরিমানে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে পারে তবে বেসটি ভোল্টেজ পাবে আর লেডটি জ্বলে উঠবে। এই এমন কিছু স্বাভাবিক পানিও হতে পারে।
একেবারে বিশুদ্ধ পানি স্বাভাবিক অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করেনা। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে ট্যাঙ্কের পানি একেবারে বিশুদ্ধ নয়। এতে আয়রন, লবন এবং আরো দ্রবিভূত অনেক উপাদান থাকে যা বিদ্যুৎ পরিবহন করে। তাই ট্যাঙ্কের পানি যদি এই গ্যাপ পুরা করতে পারে এবং এতে বেস ভোল্টেজ পাবে আর লেডও জ্বলে উঠবে।
ছবিতে ছবিতে সবচেয়ে সরল ওয়াটার ইন্ডিকেটর দেখানো হল। পরের ছবিতে একাধিক ট্রাঞ্জিষ্টরের সমন্বয়ে মাল্টি লেভেল ইন্ডিকেটর বানানো হয়েছে। এভাবে যতখুশি ট্রাঞ্জিষ্টর যুক্ত করে ইচ্ছামত লেভেল দেখানো সম্ভব। সবার উপরের লেভেলে একটি বাজার (শব্দ উৎপাদক) যুক্ত করা হয়েছে যা ট্যাংক ফুল হলে আমাদের সংকেত দিবে পাম্প বন্ধ করার জন্য। লক্ষ্যনীয় যে একটা পজেটিভ প্রোব সার্বক্ষনিক পানিতে ডুবিয়ে রাখার ব্যাবস্থা করতে হবে।
সহজ ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটরএকটু জটিল ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটর
শুধু একটি ট্রাঞ্জিষ্টর বেসড সার্কিটের দুর্বলতা হলো বেসে খুবি কম কারেন্ট পাস করায় ইমিটার আর কালেক্টরে কম কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারে। এতে লেড খুব দুর্বল ভাবে জ্বলে কখোনো দিনের আলোয় দেখা নাও যেতে পারে। তাই আমাদের কারেন্ট বাড়ানোর ব্যাবস্থা করা দরকার। এর আগেও আমরা দেখেছি একাধিক ট্রাঞ্জিষ্টার ব্যাবহার করে সেটি করা যায়। এবারও তাই করা হবে তবে আমরা এবার একটা ডার্লিংটন পেয়ার ট্রাঞ্জিষ্টর ব্যাবহার করব।
ডার্লিংটন পেয়ার হলো দুই ট্রাঞ্জিষ্টরের যুক্ত ফল। দুইটা হুবুহু ট্রাঞ্জিষ্টর এমন ভাবে জোড়া দেয়া হয় যাতে একটার ইমিটার আউটপুট অন্যটার বেস সিগনাল হিসাবে কাজ করে। চিত্রে এমন দেখা যাচ্ছে। ফলাফল ট্রাঞ্জিষ্টার দিয়ে প্রচুর কারেন্ট পাওয়া যায় যা দিয়ে এল ই ডি কেন ডিসি মোটর পর্যন্ত ড্রাইভ করা যায়।
ডার্লিংটন পেয়ার ট্রানজিস্টরের ভেতরে
আমাদের প্রতিটি একক ট্রাঞ্জিষ্টরের বদলে যদি একটা করে ডার্লিংটন পেয়ার ট্রাঞ্জিষ্টর দিয়ে করি তবে সহজেই আমরা কাংখিত ফলাফল পাব। সুতরাং প্রতিটি লেভেল ইন্ডিকেটরে এক জোড়া করে যদি ৭ টি লেভেল ইন্ডিকেটর চাই তবে আমাদের ১৪ টি ট্রাঞ্জিষ্টর লাগানো উচিত। কিন্তু হাতে বানানো এমন পেয়ার কমার্শিয়াল রেডিমেড পেয়ারের চেয়ে নিম্নমানের হতে পারে।
সৌভাগ্যক্রমে বাজারে ৭ ডার্লিংটন পেয়ার ট্রাঞ্জিষ্টরের প্যাকেজ রেডিমেড পাওয়া যায়। ULN2oo3/ULN2004 এমন প্যাকেজ আইসি। এদের ভোল্টেজ ও কারেন্টও খুব হাই। তাই অনেক মোটরড্রাইভার এইগুলাকে দিয়ে বানায়। চিত্রে ULN2004 এর ভিতরের গঠন দেখানো হয়েছে।
এই আইসির প্রতিটা ইনপুটের জন্য (বেস ইনপুট) সংশ্লিষ্ট একটা আলাদা আউটপুট আছে। ফলে আমরা ১ থেকে ৭ পর্যন্ত যে কোন সংখক লেভেল একটা আইসি দিয়েই করতে পারব। এর বেশী চাইলে আরো আইসি আলাদা আলাদা ভাবে ব্যাবহার করতে পারব।
ULN2004 আইসির ১-৭ পিনে টাঙ্কিতে ডুবানোর জন্য প্রোব সংযুক্ত করতে হবে। ৮ নং পিন নেগেটিভ বা গ্রাউন্ড। ৯ নং পিনে সাপ্লাই দিতে হবে। ১০ থেকে ১৬ যথাক্রমে ৭-৬-৫ …-১ নং প্রোবের সংশিষ্ট লেড যা ১ কে রেজিষ্ট্যান্স দিয়ে যুক্ত। যে কোন প্রোবকে হাই লো বা অন্যান্য লেভেল ইন্ডিকেটর হিসাবে ধরতে পারি তবে এখানে আমরা যদি ৭ নং পিনের প্রোবকে লো লেভেল ইন্ডিকেটর ধরি তবে ১ নং পিনের প্রোবকে হাই লেভেল ইন্ডিকেটর ধরব। আমরা হাই লেভেল ইন্ডিকেটরের সাথে একটি ডিসি বাজার লাগিয়েছি।
uln2004 আইসি দিয়ে তৈরি ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটর
এই আইসি অনেক হাই কারেন্ট সাপ্লাই দেয় তাই অবশ্য অবশ্য লেডের সাথে রেসিষ্টর ব্যাবহার করতে হবে।
টাংকিতে সরাসরি তার ডা না ডূবিয়ে পানিতে ডুবানোর জন্য আলাদা প্রোব (পরিবাহি কাঠি) বানানো উচিত। তার সাধারনত নমনীয় প্রকৃতির হয় তাই পানিতে ভেসে উঠে আর পানির আয়রন লবনের বিক্রিয়ায় সহজেই ক্ষয় হয়ে যায়। তাই প্রোব হিসাবে শক্ত মোটা ও পানিতে সহজে বিক্রিয়া করেনা এমন প্রোব নির্বাচন করা উচিত। প্রোব হিসাবে লোহার বস্তু নির্বাচন করা উচিত না। লোহা সহজেই পানির সাথে বিক্রিয়ায় মরিচা উৎপাদন করে ট্যাঙ্কির পানি দূষিত করে। সম্ভব হলে পিভিসি সিথিং (খোল/কভার) সহ মোটা তামার লেভেল অনুযায়ী উপর নীচ করে তার একত্রে বেধে দেয়া যায়। আমার বাসায় আমি একটা প্লাষিকের পাইপে লেভেল অনুযায়ী ছিদ্র করে ২০ গেজি তামার তার পিভিসি কভার সহ একেকে ছিদ্রে বেধে দিয়ে ঐ পাইপটি ট্যাংকে খাড়া রাখার ব্যাবস্থা করেছি। ঐ প্রোবগুলাকে RJ-45 বা ল্যান/ইন্টারনেটের তার দিয়ে যুক্ত করে নিচে বাসায় রাখা সার্কিটে যুক্ত করেছি।
সার্কিটটাকে আকর্ষনিয় ভাবে উপস্থাপনের জন্য তোমরা ছবির মতো ডিসপ্লে বোর্ড বানাতে পার। বাজারে সুইচ বোর্ড হিসাবে প্লাষ্টিকের যে বোর্ড পাওয়া যায় তা কেটে এরকরম করলে তা প্রজেক্টকে আরো আকর্ষনীয় করবে।
ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটর এলইডি গুলো বক্সের মধ্যে সংযুক্ত করবার পরে